সোমবার, জুন ১, ২০২৬
সোমবার, জুন ১, ২০২৬

শ্রমজীবী মানুষের মাঝে সাজ্জাদুল মিরাজের ঈদ উপহার বিতরণ

0
শ্রমজীবী মানুষের মাঝে কুরবানি ঈদ উপহার বিতরণ করলেন সাজ্জাদুল মিরাজ
শ্রমজীবী মানুষের মাঝে কুরবানি ঈদ উপহার বিতরণ করলেন সাজ্জাদুল মিরাজ

মঙ্গলবার (২৬ মে) শাহ আলী থানা ও দারুস সালাম থানা এলাকার প্রায় ৩০০ শ্রমজীবী মানুষকে কুরবানি ঈদ উপলক্ষে উপহার সামগ্রী ও বিতরণ করেন ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদলের সদস্য সচিব সাজ্জাদুল মিরাজ।

এছাড়াও আজ বুধবার (২৭ মে) তিনি ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের সরবরাহকৃত কুরবানী পশুর বর্জ্য সংগ্রহের জন্য পলিথিন ব্যাগ বিতরণ করেন।

সংশ্লিষ্ট ভিডিও দেখুন

 

যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় বাংলাদেশি নারীকে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে খুন

0
যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যের ফোর্ট মায়ার্স শহরে এক নৃশংস হামলায় নিহত প্রবাসী বাংলাদেশি নারী নিলুফার ইয়াসমিন (৪২)
যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যের ফোর্ট মায়ার্স শহরে এক নৃশংস হামলায় নিহত প্রবাসী বাংলাদেশি নারী নিলুফার ইয়াসমিন (৪২)

যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় বাংলাদেশি নারীকে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে খুন। ফ্লোরিডার ফোর্ট মায়ার্স শহরে এ নৃশংস হামলায় খুন হওয়া ওই নারীর নাম নিলুফার ইয়াসমিন (৪২)। এ ঘটনায় অভিযুক্ত হামলাকারীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ঘটনাটি স্থানীয় কমিউনিটি এবং যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে গভীর শোক ও ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে।

বৃহস্পতিবার সকাল আনুমানিক ৭টা ১৪ মিনিটের দিকে শহরের ডক্টর মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র বুলেভার্ডে অবস্থিত একটি কনভেনিয়েন্স স্টোর ও গ্যাস স্টেশন সংলগ্ন এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় ফোর্ট মায়ার্স পুলিশ বিভাগ, ফায়ার সার্ভিস ও জরুরি চিকিৎসা সেবা দল। গুরুতর আহত অবস্থায় নিলুফারকে ঘটনাস্থলেই মৃত ঘোষণা করা হয়।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনা অনুযায়ী, ৪০ বছর বয়সী অভিযুক্ত রলবার্ট জোয়াসিন নামে এক ব্যক্তি হাতে হাতুড়ি নিয়ে প্রথমে দোকানের দরজায় আঘাত করতে থাকেন এবং ভেতরে ঢোকার চেষ্টা করেন। এ সময় দোকানটি ভেতর থেকে বন্ধ ছিল এবং নিলুফার ভোরের নামাজ আদায় করছিলেন।

অভিযুক্ত রলবার্ট জোয়াসিন (৪০), হাতুড়ি দিয়ে হামলার কারণে অভিযুক্ত, হত্যার অভিযোগে গ্রেপ্তার
অভিযুক্ত রলবার্ট জোয়াসিন (৪০), হাতুড়ি দিয়ে হামলার কারণে অভিযুক্ত, হত্যার অভিযোগে গ্রেপ্তার | যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় বাংলাদেশি নারী খুন

ভেতরে ঢুকতে ব্যর্থ হয়ে হামলাকারী বাইরে পার্ক করা একটি গাড়ির কাচ ভাঙচুর শুরু করে। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, হলুদ রঙের শার্ট, কালো শর্টস, কমলা জুতা ও সাদা ব্যাগপ্যাক পরিহিত ওই ব্যক্তি বারবার গাড়িতে আঘাত করছেন। পরিস্থিতি দেখতে নিলুফার বাইরে বের হলে তিনি হঠাৎ তার ওপর হামলা চালান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, হামলাকারী নিলুফারের মাথায় পরপর একাধিকবার হাতুড়ি দিয়ে আঘাত করেন। এতে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন এবং সকাল ৭টা ২৭ মিনিটের দিকে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। হামলার পর অভিযুক্ত ব্যক্তি উত্তর দিকে পালিয়ে যায়।

হামলার সময় দোকানের ভেতরে স্প্যানিশ ভাষাভাষী আরেক নারী কর্মী ছিলেন, যিনি পরে দোকান মালিককে ঘটনার বিস্তারিত জানান।

অভিযুক্ত রলবার্ট জোয়াসিন (৪০), হাতুড়ি দিয়ে হামলার কারণে অভিযুক্ত, হত্যার অভিযোগে গ্রেপ্তার
অভিযুক্ত রলবার্ট জোয়াসিন (৪০), হাতুড়ি দিয়ে হামলার কারণে অভিযুক্ত, হত্যার অভিযোগে গ্রেপ্তার | যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় বাংলাদেশি নারী খুন

দোকানটির মালিক প্রবাসী বাংলাদেশি আরিফ আহমেদ আশরাফ জানান, কয়েকদিন আগে একই ব্যক্তি দোকানে এসে এটিএম থেকে টাকা তোলার চেষ্টা করেন। সঠিক পিন দিতে ব্যর্থ হয়ে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে নিলুফারকে গালাগালি করেন। পরে অন্য কর্মীরা পরিস্থিতি সামাল দেন। ঘটনার দিন ভোরে তিনি আবার দোকানে এসে নিলুফারকে খুঁজছিলেন বলেও জানা গেছে।

ঘটনার পরপরই পুলিশ, ডগ স্কোয়াড ইউনিট এবং লি কাউন্টি শেরিফের এভিয়েশন ইউনিটের সহায়তায় এলাকায় ব্যাপক অভিযান চালানো হয়। নিরাপত্তার স্বার্থে আশপাশের তিনটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সাময়িকভাবে লকডাউন জারি করা হয়।

পরে বিকেল প্রায় ৩টার দিকে ঘটনাস্থল থেকে প্রায় এক মাইল দূরে জোয়াসিনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাকে কোনো প্রতিরোধ ছাড়াই আটক করা হয়। তার বিরুদ্ধে হত্যা ও সম্পত্তি নষ্টের অভিযোগ আনা হয়েছে এবং তাকে লি কাউন্টি কারাগারে পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, তিনি স্থায়ী ঠিকানাবিহীন এবং মানসিক অসুস্থতার ইতিহাস রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। কয়েক মাস আগে সংঘটিত একটি অমীমাংসিত হত্যাকাণ্ডের সঙ্গেও তার সংশ্লিষ্টতা থাকতে পারে কিনা, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

হাতুড়ি দিয়ে লাগাতার আঘাতের ফলে সুপারশপের সামনে পড়ে থাকা নিলুফার ইয়াসমিনের (৪২) নিথর দেহ
হাতুড়ি দিয়ে লাগাতার আঘাতের ফলে সুপারশপের সামনে পড়ে থাকা নিলুফার ইয়াসমিনের (৪২) নিথর দেহ | যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় বাংলাদেশি নারী খুন

নিলুফার ইয়াসমিন লক্ষ্মীপুর জেলার চন্দ্রগঞ্জ উপজেলার কুশাখালী ইউনিয়নের বাসিন্দা ছিলেন। স্বামীর সঙ্গে বিচ্ছেদের পর তিনি দুই মেয়েকে নিয়ে ফোর্ট মায়ার্সে বসবাস করছিলেন। তার দুই মেয়ে বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত। দীর্ঘদিন মিয়ামিতে থাকার পর সম্প্রতি তিনি ফোর্ট মায়ার্সে আসেন এবং প্রায় ছয় মাস ধরে ওই দোকানে কর্মরত ছিলেন। তার স্বামী বর্তমানে বাংলাদেশে অবস্থান করছেন।

তিনি কুশাখালী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ছালেহ উদ্দিন মানিকের বোন।

এদিকে, সিসিটিভিতে ধারণ করা হামলার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে, যা অত্যন্ত মর্মান্তিক ও বীভৎস।

হাতুড়ি দিয়ে লাগাতার আঘাতের ফলে সুপারশপের সামনে পড়ে থাকা নিলুফার ইয়াসমিনের (৪২) নিথর দেহ
হাতুড়ি দিয়ে লাগাতার আঘাতের ফলে সুপারশপের সামনে পড়ে থাকা নিলুফার ইয়াসমিনের (৪২) নিথর দেহ | যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় বাংলাদেশি নারী খুন

ইয়াসমিনের মৃত্যুতে লক্ষ্মীপুরে থাকা পরিবারসহ প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটিতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। ফোর্ট মায়ার্সের বাসিন্দারাও এমন নৃশংস ঘটনায় গভীর আতংক ও বিস্ময় প্রকাশ করেছেন।

পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার প্রকৃত কারণ এখনো নিশ্চিত করা যায়নি এবং তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

▷▶ এক নজরে ফ্লোরিডায় বাংলাদেশি নারী হত্যাকান্ড
◉ ভিক্টিম: নিলুফার ইয়াসমিন (৪২), লক্ষ্মীপুরের বাংলাদেশি প্রবাসী, সুপারশপ কর্মী
◉ অভিযুক্ত: রলবার্ট জোয়াসিন (৪০), হাতুড়ি হামলার অভিযুক্ত, হত্যার অভিযোগে গ্রেপ্তার
◉ ঘটনাস্থল: ডি অ্যান্ড ডি কনভেনিয়েন্স স্টোর, ডক্টর মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র বুলেভার্ড, ফোর্ট মায়ার্স, ফ্লোরিডা
◉ সময়: বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল), স্থানীয় সময় সকাল প্রায় ৭টা ৩০ মিনিট
◉ থানা: ফোর্ট মায়ার্স পুলিশ বিভাগ

লক্ষ্মীপুর জেলার কুশাখালী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ছালেহ উদ্দিন মানিক, তার বোন নিহত নিলুফার ইয়াসমিন
লক্ষ্মীপুর জেলার কুশাখালী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ছালেহ উদ্দিন মানিক, তার বোন নিহত নিলুফার ইয়াসমিন | যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় বাংলাদেশি নারী খুন

▷▶ ঘটনার সংক্ষিপ্ত টাইমলাইন
◉ ঘটনার কয়েক দিন আগে:
অভিযুক্ত রলবার্ট জোয়াসিন দোকানে এসে এটিএম থেকে টাকা তুলতে ব্যর্থ হয়ে নিলুফারকে গালাগালি করে এবং ক্ষিপ্ত আচরণ করে।
◉ ২ এপ্রিল, ভোর (ঘটনার আগে):
নিলুফার দোকান খুলে ভেতর থেকে দরজা বন্ধ করে নামাজ আদায় করছিলেন। এ সময় অভিযুক্ত আবার দোকানে এসে তাকে খুঁজতে থাকে।
◉ সকাল আনুমানিক ৭:১৪–৭:২০:
অভিযুক্ত দোকানের দরজায় হাতুড়ি দিয়ে আঘাত করে ঢোকার চেষ্টা করে। ব্যর্থ হয়ে বাইরে পার্ক করা একটি গাড়ি ভাঙচুর শুরু করে।
◉ সকাল আনুমানিক ৭:২০–৭:২৭:
নিলুফার বাইরে বের হলে অভিযুক্ত তার ওপর হামলা চালায় এবং মাথায় একাধিকবার আঘাত করে। ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
◉ সকাল (ঘটনার পরপর):
পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও জরুরি সেবা দল ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। আশপাশে অভিযান শুরু হয় এবং কয়েকটি স্কুলে লকডাউন জারি করা হয়।
◉ বিকেল (প্রায় ৩টা):
ঘটনাস্থল থেকে প্রায় এক মাইল দূরে অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়।
◉ বর্তমান অবস্থা:
অভিযুক্ত কারাগারে রয়েছে। হত্যার উদ্দেশ্য এখনো নিশ্চিত হয়নি, তদন্ত চলছে।

যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় বাংলাদেশি নারীকে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে খুন


◉ আরও পড়ুন রাজনীতি | অর্থনীতি | আন্তর্জাতিক
◉ স্টার কমিউন ইংরেজি সংস্করণ পড়ুন Star Commune

চাঁপাইনবাবগঞ্জে চার্জার বিস্ফোরণে ভয়াবহ আগুনে পুড়ল ৪ বাড়ি

0
চাঁপাইনবাবগঞ্জে চার্জার বিস্ফোরণে ভয়াবহ আগুনে পুড়ল ৪ বাড়ি
চাঁপাইনবাবগঞ্জে চার্জার বিস্ফোরণে ভয়াবহ আগুনে পুড়ল ৪ বাড়ি

চাঁপাইনবাবগঞ্জে চার্জার বিস্ফোরণে ভয়াবহ আগুনে পুড়ল ৪ বাড়ি। চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভোলাহাট উপজেলার পোলাডাঙ্গা গ্রামে মোবাইল ফোনের চার্জার বিস্ফোরণ থেকে ভয়াবহ এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।

রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুর আনুমানিক ২টার দিকে লাগা আগুনে চারটি বসতবাড়ি পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। নগদ অর্থ, আসবাবপত্র ও খাদ্যশস্যসহ প্রায় ৯ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, পোলাডাঙ্গা গ্রামের বাসিন্দা মো. জিয়াউর রহমানের ঘরে মোবাইল ফোন চার্জে দেওয়া ছিল। হঠাৎ চার্জার থেকে বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে এবং সঙ্গে সঙ্গে আগুন জ্বলে ওঠে। মুহূর্তের মধ্যেই আগুন ঘরের আসবাবপত্রে ছড়িয়ে পড়ে। ঘরটি টিনশেড ও দাহ্য উপকরণে তৈরি হওয়ায় আগুন দ্রুত ভয়াবহ রূপ নেয়।

চাঁপাইনবাবগঞ্জে চার্জার বিস্ফোরণে ভয়াবহ আগুনে পুড়ল ৪ বাড়ি
চাঁপাইনবাবগঞ্জে চার্জার বিস্ফোরণে ভয়াবহ আগুনে পুড়ল ৪ বাড়ি

বাড়ির সদস্যরা চিৎকার শুরু করলে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে পানি ও বালতি দিয়ে আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু বাতাসের কারণে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে পাশের মো. তারা, মো. তরিকুল ইসলাম ও মোসা. চান্দু বেগমের বাড়িতে। অল্প সময়ের মধ্যেই চারটি পরিবারের বসতঘর আগুনে পুড়ে যায়।

খবর পেয়ে ভোলাহাট ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে স্থানীয়দের সহযোগিতায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। প্রায় এক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন সম্পূর্ণভাবে নিভিয়ে ফেলা হয় বলে জানা গেছে।

ভোলাহাট ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের ভারপ্রাপ্ত স্টেশন মাস্টার কৃষ্ণ প্রসাদ তলাপাত্র জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট বা চার্জার বিস্ফোরণ থেকেই আগুনের সূত্রপাত। তদন্ত শেষে সুনির্দিষ্ট কারণ জানা যাবে।

চাঁপাইনবাবগঞ্জে চার্জার বিস্ফোরণে ভয়াবহ আগুনে পুড়ল ৪ বাড়ি
চাঁপাইনবাবগঞ্জে চার্জার বিস্ফোরণে ভয়াবহ আগুনে পুড়ল ৪ বাড়ি

অগ্নিকাণ্ডে চারটি পরিবারের ঘরের আসবাবপত্র, কাপড়চোপড়, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র, খাদ্যশস্য এবং আলমারিতে রাখা নগদ ৩ লাখ ৩০ হাজার টাকা পুড়ে গেছে। ভুক্তভোগীদের ভাষ্য, সব মিলিয়ে ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ৯ লাখ টাকা। তবে অগ্নিকাণ্ডের সময় সবাই দ্রুত ঘর থেকে বেরিয়ে আসতে পারায় কোনো প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি।

আগুনে সর্বস্ব হারিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো খোলা আকাশের নিচে অবস্থান করছে। তারা দ্রুত ত্রাণ ও পুনর্বাসনের জন্য স্থানীয় প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

চাঁপাইনবাবগঞ্জে চার্জার বিস্ফোরণে ভয়াবহ আগুন, পুড়ল ৪ বাড়ি


◉ আরও পড়ুন রাজনীতি | অর্থনীতি | আন্তর্জাতিক
◉ স্টার কমিউন ইংরেজি সংস্করণ পড়ুন Star Commune

নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের গেজেট প্রকাশ

0
নির্বাচন কমিশন | ফাইল ছবি
নির্বাচন কমিশন | ফাইল ছবি

নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের গেজেট প্রকাশ করা হয়েছে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের গেজেট প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে জাতীয় সংসদের ৩০০ আসনের মধ্যে ২৯৭ আসনে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যের সরকারি ফলাফল গেজেট প্রকাশ করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৭টা থেকে ৪২ হাজার ৭৭৯টি কেন্দ্রে একযোগে সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে চলে বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত। সংসদ নির্বাচনের পাশাপাশি এদিন দেশজুড়ে গণভোটও অনুষ্ঠিত হয়। তরুণ ভোটারদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ছিল চোখে পড়ার মতো। নতুন বাংলাদেশ পুনর্গঠনের লক্ষ্যে ভোটাররা উৎসাহ-উদ্দীপনা নিয়ে ব্যালট পেপারের মাধ্যমে তাদের রায় প্রদান করেন।

নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, ২০০৮ সালে নিবন্ধন প্রক্রিয়া শুরুর পর এবারই রেকর্ডসংখ্যক রাজনৈতিক দল নির্বাচনে অংশ নিয়েছে। বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টিসহ মোট ৫১টি দল এই নির্বাচনি লড়াইয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। নির্বাচনে মোট প্রার্থী ২ হাজার ২৯ জন; যার মধ্যে দলীয় প্রার্থী ১ হাজার ৭৫৫ জন এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী ছিলেন ২৭৪ জন। নারী প্রার্থীর সংখ্যা ৮০ জন। এবারের নির্বাচনে মোট ১১৯টি প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়।

এদিকে নির্বাচিত সংসদ-সদস্যদের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানের সব প্রস্তুতি শুরু করেছে সংসদ সচিবালয়। বৈঠকে শপথের গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক মুহূর্তটি সফলভাবে করতে প্রটোকল, নিরাপত্তা এবং প্রয়োজনীয় সেবার বিষয় অগ্রাধিকার দিয়ে সাজানো হয়েছে সব পরিকল্পনা।

নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের গেজেট দেখুন এখানে

>> নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের গেজেট প্রকাশ | ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ীদের গেজেট প্রকাশ | ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে যারা জয়ী হলেন তাদের গেজেট প্রকাশ | ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন ২০২৬ এমপিদের গেজেট প্রকাশ


◉ আরও পড়ুন রাজনীতি | অর্থনীতি | আন্তর্জাতিক
◉ স্টার কমিউন ইংরেজি সংস্করণ পড়ুন Star Commune

ঢাকার কোন আসন কার দখলে

0
dhaka-constituency-winner
ঢাকার কোন আসন কার দখলে

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আজ শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ২৯৭টি আসনের বেসরকারি ফলাফল পাওয়া গেছে।

ঢাকার ২০টি আসনের মধ্যে সব কটির ফল এসেছে। বিএনপি জোট পেল ১৩ আসন, জামায়াত জোট জিতেছে ৭টি আসনে। এর মধ্যে একটি আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন।

ঢাকা সংসদীয় আসন ১-১০ জয়ী যারা
ঢাকা সংসদীয় আসন ১-১০ জয়ী যারা

ঢাকা–১ আসন
ঢাকা-১ আসনে বেসরকারিভাবে পাওয়া ফলে জয়ী হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী খোন্দকার আবু আশফাক। ধানের শীষ প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৭৩ হাজার ৭৮১ ভোট। আর তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ১২ হাজার ৬২২ ভোট।

ঢাকা–২ আসন
ঢাকা-২ আসনে ১ লাখ ৬৩ হাজার ২০ ভোট পেয়ে জিতেছেন বিএনপির আমানউল্লাহ আমান। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের কর্নেল (অব.) আবদুল হক পেয়েছেন ৭৮ হাজার ৬৫৫।

ঢাকা-৩ আসন
ঢাকা-৩ আসনে বেসরকারিভাবে পাওয়া ফলে জয়ী হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। তিনি পেয়েছেন ৯৮ হাজার ৭৮৫ ভোট। আর তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের শাহীনুল ইসলাম পেয়েছেন ৮২ হাজার ২৩২ ভোট।

ঢাকা–৪ আসন
ঢাকা-৪ আসনে প্রাথমিক ফলাফলে প্রায় ৩ হাজার ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন জামায়াত নেতা সৈয়দ জয়নুল আবেদীন। তিনি দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে মোট ৭৭ হাজার ৩৬৭ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী তানভীর আহমেদ ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৭৪ হাজার ৪৪৭ ভোট।

ঢাকা–৫ আসন
ঢাকা-৫ আসনে প্রাথমিক ফলাফলে জয়ী হয়েছেন জামায়াতের প্রার্থী মোহাম্মদ কামাল হোসেন। তিনি দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ৯ হাজারের বেশি ভোটের ব্যবধানে নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি প্রার্থী নবী উল্লাহকে হারিয়েছেন। কামাল হোসেন পেয়েছেন ৯৬ হাজার ৬৪১ ভোট। আর নবী উল্লাহ ধানের শীষে পেয়েছেন ৮৭ হাজার ৪৯১ ভোট।

ঢাকা–৬ আসন
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৬ আসনের বেসরকারি ফলাফলে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী ইশরাক হোসেন। তিনি ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে মোট ৭৮ হাজার ৮৫০ ভোট পেয়েছেন।

ইশরাকের নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের প্রার্থী আবদুল মান্নান পেয়েছেন ৫৫ হাজার ৬৯৭ ভোট। ইশরাক ২৩ হাজার ১৫৩ ভোটের ব্যবধানে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীকে হারিয়েছেন।

ঢাকা–৭ আসন
ঢাকা-৭ আসনে ১ লাখ ৪ হাজার ৬৬৬ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে জয়ী হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী হামিদুর রহমান। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের প্রার্থী এনায়েত উল্লা পেয়েছেন ৯৮ হাজার ৪৮৩ ভোট। অর্থাৎ, বিএনপির প্রার্থী হামিদুর রহমান ৬ হাজার ১৮৩ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন।

ঢাকা–৮ আসন
ঢাকা-৮ আসনে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ। তিনি ১১–দলীয় নির্বাচনি ঐক্যের প্রার্থী ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মূখ্য সমন্বয়ক মোহাম্মদ নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর চেয়ে ৫ হাজার ২৩৯ ভোট বেশি পেয়ে জয়ী হয়েছেন।

ঢাকা–৯ আসন
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৯ আসনে বেসরকারি ফলাফলে জয়ী হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী হাবিবুর রশিদ। ধানের শীষ প্রতীকে তিনি মোট ১ লাখ ১১ হাজার ২১২ ভোট পেয়েছেন।

হাবিবুর রশিদের নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এনসিপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাবেদ মিয়া পেয়েছেন ৫৩ হাজার ৪৬০ ভোট। আর এ আসনে সাবেক এনসিপি নেত্রী ও স্বতন্ত্র প্রার্থী তাসনিম জারা ফুটবল প্রতীকে পেয়েছেন ৪৪ হাজার ৬৮৪ ভোট।

ঢাকা–১০ আসন
ঢাকা-১০ আসনের ভোটে বেসরকারিভাবে পাওয়া ফলে জয়ী হয়েছেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী শেখ রবিউল আলম। তিনি নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত প্রার্থী জসীম উদ্দীন সরকারের তুলনায় ৩ হাজার ৩০০ ভোট বেশি পেয়েছেন।

নির্বাচনে শেখ রবিউল মোট ৮০ হাজার ৪৩৬ ভোট পেয়েছেন। আর জসীম উদ্দীন পেয়েছেন ৭৭ হাজার ১৩৬ ভোট। এ আসনে পোস্টাল ভোটসহ ১৩৭টি কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ হয়। ভোটের হার ছিল ৪৩ শতাংশ।

ঢাকা সংসদীয় আসন ১১-২০ জয়ী যারা
ঢাকা সংসদীয় আসন ১১-২০ জয়ী যারা

ঢাকা–১১ আসন
ঢাকা-১১ আসনের প্রাথমিক ফলাফলে ২ হাজার ভোটের ব্যবধানে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন জামায়াত জোটের প্রার্থী ও এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। এ আসন থেকে শাপলা কলি প্রতীকে তিনি মোট ৯৩ হাজার ৮৭২ ভোট পেয়েছেন।

নাহিদের নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন বিএনপি প্রার্থী এম এ কাইয়ুম। তিনি পেয়েছেন ৯১ হাজার ৮৩৩ ভোট। অর্থাৎ, কাইয়ুমের চেয়ে ২ হাজার ৩৯ ভোট বেশি পেয়েছেন নাহিদ।

ঢাকা–১২ আসন
বিএনপির জোটে প্রার্থী ও দলটির বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থীকে হারিয়ে ঢাকা-১২ আসনে জিতেছেন জামায়াতের প্রার্থী সাইফুল আলম খান মিলন। এ আসনে তিনি দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে মোট ৫৩ হাজার ৭৭৩ ভোট পেয়েছেন।

সাইফুল আলমের নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির কোদাল প্রতীকের প্রার্থী সাইফুল হক। তিনি বিএনপি জোটেরও প্রার্থী। তিনি পেয়েছেন ৩০ হাজার ৯৬৩ ভোট।

ঢাকা–১৩ আসন
ঢাকা-১৩ আসনে বিএনপি সমর্থিত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ববি হাজ্জাজ বিজয়ী হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ৮৮ হাজার ৩৮৭টি ভোট। তার প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত সমর্থিত ১১–দলীয় ঐক্যের প্রার্থী মামুনুল হকের চেয়ে ২ হাজার ৩২০ ভোট বেশি পেয়েছেন তিনি।

ববি হাজ্জাজ মোট ভোট পেয়েছেন ৮৮ হাজার ৩৮৭। অন্যদিকে মামুনুল হক পেয়েছেন ৮৬ হাজার ৬৭টি।

ঢাকা–১৪ আসন
ঢাকা-১৪ আসনে জামায়াতের প্রার্থী মীর আহমাদ বিন কাসেম বেসরকারিভাবে জয়ী হয়েছেন। তিনি জামায়াতের প্রয়াত নেতা মীর কাসেম আলীর ছেলে।

দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে মীর আহমাদ বিন কাসেম মোট ১ লাখ ১ হাজার ১১৩ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির সানজিদা ইসলাম তুলি পেয়েছেন ৮৩ হাজার ৩২৩ ভোট।

ঢাকা-১৫ আসন
ঢাকা-১৫ আসনে জয় পেয়েছেন জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি মোট ভোট পেয়েছেন ৮৫ হাজার ১৩১টি। তার প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী শফিকুল ইসলাম খান পেয়েছেন ৬৩ হাজার ৫১৭ ভোট। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর চেয়ে জামায়াতের আমির ২১ হাজার ৬১৪ ভোট বেশি পেয়েছেন।

ঢাকা–১৬ আসন
ঢাকা-১৬ আসনের ভোটে বেসরকারি ফলে জয়ী হয়েছেন জামায়াতের প্রার্থী আবদুল বাতেন। তিনি প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী আমিনুল হকের চেয়ে ৩ হাজার ৩৬১ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন৷

নির্বাচনে আবদুল বাতেন মোট ৮৮ হাজার ৮২৮ ভোট পেয়েছেন। আর আমিনুল হক পেয়েছেন ৮৫ হাজার ৪৬৭ ভোট।

ঢাকা–১৭ আসন
ঢাকা-১৭ আসনের বেসরকারি ফলাফল অনুযায়ী বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান ৭২ হাজার ৬৯৯ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ডা. স ম খালিদুজ্জামান পেয়েছেন ৬৮ হাজার ৩০০ ভোট। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর চেয়ে ৪ হাজার ৩৯৯ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন তারেক রহমান।

ঢাকা–১৮ আসন
ঢাকা-১৮ আসনে এনসিপির প্রার্থীকে ৩৩ হাজারের বেশি ভোটে হারিয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন। তিনি ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে মোট ১ লাখ ৪৪ হাজার ৭১৫ ভোট পেয়েছেন। আর এনসিপির প্রার্থী আরিফুল ইসলাম পেয়েছেন ১ লাখ ১১ হাজার ২৯৭ ভোট।

ঢাকা–১৯ আসন
ঢাকা–১৯ আসনে বিএনপির প্রার্থী দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিন ১ লাখ ৯০ হাজার ৯৭৬ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এনসিপির প্রার্থী দিলশানা পারুল পেয়েছেন ১ লাখ ২৫ হাজার ২৮৩ ভোট।

ঢাকা–২০ আসন
ঢাকা-২০ (ধামরাই) আসনে বেসরকারিভাবে ঘোষিত ফলাফলে বিএনপির প্রার্থী তমিজ উদ্দিন নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি আসনটির ১৪৭টি কেন্দ্রে ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৬০ হাজার ৪২৮ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ১১–দলীয় নির্বাচনি ঐক্যের প্রার্থী এনসিপির নাবিলা তাসনিদ পেয়েছেন ৫৬ হাজার ৩৪৩ ভোট।

>> ঢাকার কোন আসন কার দখলে | ঢাকার কোন আসনে কে জিতলেন | ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে ঢাকার কোন আসনে কে জয়ী হলেন


আরও পড়ুন রাজনীতি | অর্থনীতি | আন্তর্জাতিক

ইংরেজি ভার্সনে পড়ুন Star Commune

শিশু নির্যাতনের ঘটনায় শারমিন একাডেমির ব্যবস্থাপক গ্রেফতার

0
শিশু নির্যাতনের ঘটনায় শারমিন একাডেমির ব্যবস্থাপক পবিত্র কুমার বড়ুয়া গ্রেফতার
শিশু নির্যাতনের ঘটনায় শারমিন একাডেমির ব্যবস্থাপক পবিত্র কুমার বড়ুয়া গ্রেফতার

রাজধানীর নয়াপল্টনে ‘শারমিন একাডেমি’ নামের একটি স্কুলে শিশু নির্যাতনের ঘটনায় করা মামলার প্রধান আসামি পবিত্র কুমার বড়ুয়াকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। পবিত্র কুমার শারমিন একাডেমির ব্যবস্থাপক এবং মামলার অপর আসামি শারমিন জাহানের স্বামী।

বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) রাতে মিরপুর থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

স্কুলটিতে ভর্তি হওয়ার এক সপ্তাহের মাথায় শিক্ষকদের হাতে নির্যাতনের শিকার হয় চার বছর বয়সী শিশুটি। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা করা হয়।

এর আগে ভাইরাল হওয়া ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, স্কুল ইউনিফর্ম পরা ওই শিশুকে টানাহেঁচড়া করে একটি কক্ষে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর গোলাপি শাড়ি পরিহিত এক নারী শিশুটিকে টেবিলের সামনে বসিয়ে বারবার চড় মারছেন এবং ধমক দিচ্ছেন। পরে এক পুরুষ শিক্ষককে স্ট্যাপলার হাতে শিশুটির মুখের দিকে তেড়ে যেতে দেখা যায়।

সিসিটিভি ফুটেজ অনুযায়ী, এই ঘটনা ঘটেছে রোববার (১৮ জানুয়ারি) দুপুর ১২টা ৫১ মিনিটে।

পুরো ঘটনার সময় শিশুটির মধ্যে চরম ভয় ও মানসিক আতঙ্কের লক্ষণ স্পষ্টভাবে দেখা যায়। এই ভিডিও প্রকাশ্যে আসার পর নেটিজেনদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়।

>> শিশু নির্যাতনের ঘটনায় শারমিন একাডেমির ব্যবস্থাপক গ্রেফতার


আরও পড়ুন: পল্টনে স্কুলে শিশু নির্যাতনের ভিডিও ভাইরাল, স্কুলে তালা, লাপাত্তা কর্তৃপক্ষ

অন্যান্য বিষয়ে পড়ুন: রাজনীতি | অর্থনীতি ও ব্যবসা | বিনোদন

পল্টনে স্কুলে শিশু নির্যাতনের ভিডিও ভাইরাল, স্কুলে তালা, লাপাত্তা কর্তৃপক্ষ

0
পল্টনে শারমিন একাডেমিতে শিশু নির্যাতনকারী খোদ প্রিন্সিপাল শারমিন জাহান ও তার স্বামী পবিত্র কুমার বড়ুয়া
পল্টনে শারমিন একাডেমিতে শিশু নির্যাতনকারী খোদ প্রিন্সিপাল শারমিন জাহান ও তার স্বামী পবিত্র কুমার বড়ুয়া

পল্টনে স্কুলে শিশু নির্যাতনের ভিডিও ভাইরাল। নির্যাতনকারী খোদ স্কুলের প্রিন্সিপাল ও তার স্বামী।

রাজধানীর নয়াপল্টন এলাকায় অবস্থিত বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ‘শারমিন একাডেমি’-তে এক শিশুশিক্ষার্থীকে নির্মমভাবে নির্যাতনের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পর দেশজুড়ে তীব্র ক্ষোভ ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। ভিডিও প্রকাশের পরপরই প্রতিষ্ঠানটিতে তালা ঝুলিয়ে গা ঢাকা দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। একাডেমির দায়িত্বশীলদের ব্যবহৃত সব যোগাযোগ নম্বরও বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে।

ভাইরাল হওয়া ভিডিও ও সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, আনুমানিক ৩ থেকে ৫ বছর বয়সী এক শিশুকে স্কুল ইউনিফর্ম পরা অবস্থায় টানা-হেঁচড়ে একটি অফিস কক্ষে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে এক পুরুষ শিক্ষক শিশুটিকে বেধড়ক মারধর করেন। ওই সময় পাশে বসে থাকা এক নারী শিক্ষক শিশুটির হাত চেপে ধরে রাখেন। একাধিকবার শিশুটিকে ভয়ভীতি, ধমক ও শারীরিকভাবে আঘাত করা হয়। পুরো ঘটনায় শিশুটিকে চরম আতঙ্কিত ও মানসিকভাবে বিপর্যস্ত অবস্থায় দেখা যায়।

সিসিটিভি ফুটেজ অনুযায়ী, ঘটনাটি ঘটে রোববার (১৮ জানুয়ারি) দুপুর ১২টা ৫১ মিনিটে। ভিডিওটি প্রথম প্রকাশ করেন আইনজীবী সালেহ উদ্দিন, যিনি বুধবার (২১ জানুয়ারি) দুপুর ১টার দিকে ফেসবুকে ফুটেজটি পোস্ট করেন। এরপরই ভিডিওটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং নেটিজেনদের মধ্যে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়।

প্রাথমিকভাবে শনাক্ত নির্যাতনকারীরা হলেন— শারমিন একাডেমির পরিচালক ও প্রধান শিক্ষক শারমিন জাহান এবং একই প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজার পবিত্র কুমার বড়ুয়া।

জানা গেছে, তারা সম্পর্কে স্বামী-স্ত্রী। শারমিন জাহান তার প্রথম স্বামীর সঙ্গে একটি কোচিং সেন্টার পরিচালনা করতেন। প্রথম স্বামীর মৃত্যুর পর তিনি নিজ নামে ‘শারমিন একাডেমি’ প্রতিষ্ঠা করেন।

ভিডিওতে আরও দেখা যায়, গোলাপি রঙের শাড়ি পরিহিত ওই নারী শিক্ষক শিশুটিকে বারবার চড় মারছেন এবং কড়া ভাষায় ধমক দিচ্ছেন। একপর্যায়ে পুরুষ শিক্ষক শিশুটির দিকে স্ট্যাপলার হাতে এগিয়ে এসে মুখে স্ট্যাপল লাগানোর হুমকি দেন, যা পরিস্থিতিকে আরও ভয়াবহ করে তোলে। ভিডিওর কিছু অংশে ওই নারীকে হাসিমুখে (স্মার্ক করতে) দেখা যায়, যা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক নিন্দার জন্ম দিয়েছে।

ভিডিওর শেষাংশে আরও দুই নারীকে কক্ষে উঁকি দিতে দেখা যায়। তাদের উপস্থিতি টের পেয়ে নির্যাতনকারীরা সাময়িকভাবে আচরণ বন্ধ করেন।

ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) ঘটনাটি তদন্তে নেয়। পল্টন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তফা কামাল খান বলেন, “সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর বিষয়টি আমাদের নজরে আসে। যাচাই-বাছাই করে আমরা নিশ্চিত হয়েছি, ঘটনাটি নয়াপল্টনের শারমিন একাডেমিতেই ঘটেছে। নির্যাতনের সঙ্গে জড়িতদের থানায় আসার জন্য নোটিশ দেওয়া হয়েছে, তবে তারা সময়ক্ষেপণ করছে।”

তিনি জানান, এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি। তবে প্রতিষ্ঠানটির পরিচালকসহ সংশ্লিষ্ট কয়েকজন শিক্ষককে শনাক্ত করা হয়েছে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এদিকে মতিঝিল জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার হুসাইন মো. ফারাবি জানান, পুলিশ ইতোমধ্যে ভুক্তভোগী শিশুর পরিবারের সঙ্গে কথা বলেছে। তিনি বলেন, “পরিবার লিখিত অভিযোগ বা এফআইআর দিলে সঙ্গে সঙ্গে মামলা রুজু করা হবে।” তবে এখনো পরিবার আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দিতে রাজি হয়নি বলে জানান তিনি।

বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) সকালে সরেজমিনে শারমিন একাডেমিতে গিয়ে দেখা যায়, স্কুলের মূল ফটকে তালা ঝুলছে। ভেতরে নেই কোনো শিক্ষার্থী বা শিক্ষক। পুরো স্কুল প্রাঙ্গণ ফাঁকা। কেয়ারটেকার কামরুল হক জানান, আগের দিন পর্যন্ত স্কুল খোলা থাকলেও হঠাৎ করেই কর্তৃপক্ষ কাউকে কিছু না জানিয়ে বন্ধ করে দিয়েছে।

ঘটনার পর অভিভাবকদের মধ্যে চরম ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। তারা বলছেন, স্কুলকে যেখানে শিশুদের নিরাপদ আশ্রয় হিসেবে ভাবা হয়, সেখানে এমন বর্বর নির্যাতন কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেপ্তার, দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান বন্ধের দাবি উঠেছে বিভিন্ন মহল থেকে।

শিশুঅধিকারকর্মী ও আইন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শিশু আইন ২০১৩, জাতীয় শিশু নীতি এবং সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশনা অনুযায়ী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যেকোনো ধরনের শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। এ ধরনের ঘটনা শিশুদের মানসিক বিকাশে দীর্ঘমেয়াদি ট্রমা তৈরি করে।

মানবাধিকার সংগঠনগুলোর মতে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিও ভাইরাল না হলে অধিকাংশ শিশু নির্যাতনের ঘটনা প্রকাশই পায় না। তাই দ্রুত আইনি পদক্ষেপ ও কঠোর নজরদারির মাধ্যমে শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি।

>> পল্টনে স্কুলে শিশু নির্যাতনের ভিডিও ভাইরাল, স্কুলে তালা, লাপাত্তা কর্তৃপক্ষ


আরও পড়ুন বাংলাদেশ | ব্যবসা বাণিজ্য | রাজনীতি | বিনোদন

চিত্রনায়ক ও নৃত্য পরিচালক ইলিয়াস জাভেদ মারা গেছেন

0
চিত্রনায়ক ও নৃত্য পরিচালক ইলিয়াস জাভেদ মারা গেছেন
চিত্রনায়ক ও নৃত্য পরিচালক ইলিয়াস জাভেদ মারা গেছেন

দীর্ঘদিন ক্যান্সারে ভোগার পর দেশের বরেণ্য চলচ্চিত্র অভিনেতা ও নৃত্য পরিচালক ইলিয়াস জাভেদ ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। আজ বুধবার (জানুয়ারি ২১, ২০২৬) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ঢাকার উত্তরার একটি বেসরকারি হাসপাতালে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮২ বছর।

ইলিয়াস জাভেদের মৃত্যুর খবরটি নিশ্চিত করেছেন তাঁর স্ত্রী ও চিত্রনায়িকা ডলি চৌধুরী। পাশাপাশি চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সভাপতি ও অভিনেতা মিশা সওদাগরও তাঁর মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

ডলি চৌধুরী জানান, সকালে (বুধবার) হঠাৎ করেই জাভেদের শারীরিক অবস্থার মারাত্মক অবনতি ঘটে। দীর্ঘদিন ধরেই তাঁকে কখনো হাসপাতালে, আবার কখনো বাসায় রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছিল। বাসায় থাকাকালীন সময়েও হাসপাতাল থেকে চিকিৎসক ও দুজন নার্স নিয়মিত এসে তাঁর চিকিৎসাসেবা দিচ্ছিলেন।

তিনি বলেন, “আজ সকালে নার্সরা এসে জানান, তাঁর সারা শরীর ঠান্ডা হয়ে গেছে। এরপর দ্রুত অ্যাম্বুলেন্স ডেকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে নেওয়ার পর চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।”

অভিনেতা মিশা সওদাগর বলেন, “জাভেদ ভাই দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ ছিলেন। বাসা ও হাসপাতালের মধ্যে যাতায়াতের মধ্যেই ছিলেন। আজ সকালে অবস্থা খারাপ হলে হাসপাতালে নেওয়া হয়। খবরটি পেয়ে আমি ভাবীকে ফোন করি। তিনি কাঁদতে কাঁদতে বললেন—‘তোমার ভাই তো আর নাই।’”

জানা গেছে, ক্যান্সারের পাশাপাশি ইলিয়াস জাভেদ এর আগে একবার স্ট্রোকেও আক্রান্ত হয়েছিলেন। ২০২০ সাল থেকেই তিনি নানা জটিল শারীরিক সমস্যায় ভুগছিলেন।

নৃত্য পরিচালক থেকে চিত্রনায়ক—বর্ণাঢ্য চলচ্চিত্রজীবন
ষাটের দশকে চলচ্চিত্রে নৃত্য পরিচালক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন ইলিয়াস জাভেদ। তাঁর প্রথম নৃত্য পরিচালিত সিনেমা ছিল কায়সার পাশা পরিচালিত উর্দু চলচ্চিত্র ‘মালান’।

এরপর ১৯৬৪ সালে উর্দু ভাষার চলচ্চিত্র ‘নয়ি জিন্দেগি’ দিয়ে নায়ক হিসেবে তাঁর চলচ্চিত্রে অভিষেক হয়। তবে ১৯৬৬ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘পায়েল’ সিনেমার মাধ্যমে তিনি ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেন। এই ছবিতে তাঁর নায়িকা ছিলেন কিংবদন্তি অভিনেত্রী শাবানা।

দীর্ঘ অভিনয়জীবনে ইলিয়াস জাভেদ প্রায় ২০০টির মতো সিনেমায় অভিনয় করেছেন। নব্বইয়ের দশক পর্যন্ত চলচ্চিত্রে তাঁর অভিনয় ছিল নিয়মিত।

জনপ্রিয় গান ও স্মরণীয় সিনেমা
নৃত্য পরিচালক হিসেবেও ইলিয়াস জাভেদের অবদান উল্লেখযোগ্য। তাঁর নৃত্য পরিচালনায় জনপ্রিয় গানগুলোর মধ্যে রয়েছে—‘মালকা বানু’ সিনেমার সুপারহিট গান ‘মালকা বানুর দেশেরে’, ‘মনের এ ছোট্ট ঘরে আগুন লেগেছে হায়রে’, ‘চাকভূম চাকভূম চাঁদনী রাতে’—সহ আরও বেশ কয়েকটি স্মরণীয় গান।

অভিনয়ে তাঁর আলোচিত সিনেমাগুলোর মধ্যে রয়েছে— ‘মালকা বানু’, ‘অনেক দিন আগে’, ‘শাহজাদী’, ‘নিশান’, ‘রাজকুমারী চন্দ্রবান’, ‘কাজল রেখা’, ‘সাহেব বিবি গোলাম’, ‘নরম গরম’, ‘তিন বাহাদুর’, ‘চন্দন দ্বীপের রাজকন্যা’, ‘আজো ভুলিনি’, ‘চোরের রাজা’, ‘জালিম রাজকন্যা’সহ আরও বহু চলচ্চিত্র।

জন্ম ও শুরুর জীবন
ইলিয়াস জাভেদ ১৯৪৪ সালে আফগানিস্তানের পেশোয়ারে জন্মগ্রহণ করেন। পরবর্তীতে তাঁর পরিবার পাঞ্জাবে বসবাস শুরু করে। ১৯৬৩ সালে তিনি পরিবারসহ পাঞ্জাব ছেড়ে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান তথা বাংলাদেশে চলে আসেন।

বাংলাদেশি চলচ্চিত্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় জুড়ে ছিলেন ইলিয়াস জাভেদ। তাঁর মৃত্যুতে চলচ্চিত্র অঙ্গনে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।

>> চিত্রনায়ক ও নৃত্য পরিচালক ইলিয়াস জাভেদ মারা গেছেন


আরও পড়ুন বাংলাদেশ | রাজনীতি | বিনোদন

৪৪ বছরের যাত্রার ইতি: বন্ধ হল এমটিভি ও তাদের একাধিক মিউজিক চ্যানেল

0
বন্ধ হল এমটিভি ও তাদের একাধিক মিউজিক চ্যানেল
বন্ধ হল এমটিভি ও তাদের একাধিক মিউজিক চ্যানেল

৪৪ বছরের যাত্রার ইতি: বন্ধ হল এমটিভি ও তাদের একাধিক মিউজিক চ্যানেল

৩১ ডিসেম্বর ২০২৫—এই তারিখে শেষবারের মতো নীরব হলো এমটিভি। শুধু একটি টেলিভিশন চ্যানেল নয়, থেমে গেল একটি সময়, একটি ভাষা, একটি প্রজন্মের যৌথ স্মৃতি।

এমটিভির মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান প্যারামাউন্ট গ্লোবালের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বছরের শেষ রাতে চিরতরে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে এমটিভি হিটস, এমটিভি ৮০স, এমটিভি ৯০স, এমটিভি জিরো জিরোজসহ একাধিক মিউজিক চ্যানেলের সম্প্রচার। এর মধ্য দিয়ে ১৯৮১ সালে শুরু হওয়া এমটিভি’র ৪৪ বছরের মিউজিক টেলিভিশন যাত্রার আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটল।

যে পর্দা একদিন গান শোনার নিয়ম বদলে দিয়েছিল, নতুন শিল্পী চিনিয়েছিল, ফ্যাশন, ভাবনা আর বিদ্রোহের মানচিত্র এঁকেছিল—সেই এমটিভি আজ বিদায়ের পথে। স্ট্রিমিং ও সোশ্যাল মিডিয়ার যুগে গান ঘর বদলেছে। সেই পরিবর্তনের ভারেই ধীরে ধীরে ফিকে হয়েছে মিউজিক টেলিভিশনের আলো। তবু যারা রাত জেগে প্রিয় ভিডিওর অপেক্ষা করেছে, কাউন্টডাউনের শেষ মুহূর্তে শ্বাস আটকে রেখেছে—তাদের কাছে এটি শুধু একটি চ্যানেল বন্ধ হওয়া নয়, এটি এক যুগের ইতি।

‘আই ওয়ান্ট মাই এমটিভি’ থেকে বৈশ্বিক সাংস্কৃতিক বিপ্লব

১৯৮১ সালে ‘আই ওয়ান্ট মাই এমটিভি (I Want My MTV)’—এই স্লোগান নিয়ে যাত্রা শুরু করেছিল এমটিভি। তখন গান শুধু শোনা হতো। এমটিভি শিখিয়েছিল, গান দেখতেও হয়।

মিউজিক ভিডিও হয়ে উঠল অপরিহার্য, শিল্পীর ভিজ্যুয়াল পরিচয় পেল সুরের সমান গুরুত্ব। পপ কালচার পেল এক বৈশ্বিক মঞ্চ—যেখানে রক, র‍্যাপ, হিপ-হপ, অ্যাসিড হাউস একই ভাষায় কথা বলত।

এমটিভি খুব দ্রুতই ‘কুল’-এর প্রতিশব্দ হয়ে ওঠে। নতুন ট্রেন্ড, নতুন সাবকালচার, তরুণদের আত্মপরিচয়ের আয়না হয়ে দাঁড়ায় এই চ্যানেল। স্থানীয় গণ্ডি পেরিয়ে এমটিভি তুলে ধরেছিল ভিন্ন ভাষা, ভিন্ন সংস্কৃতির সঙ্গীত—একটি বৈশ্বিক যুবসমাজের জন্ম দিয়েছিল তারা।

যুদ্ধের মাঝেও সংস্কৃতির জানালা

ইউরোপে এমটিভির উত্থান ঘটে সমাজতান্ত্রিক শাসনের পতনের সময়। পূর্ব ইউরোপের তরুণদের কাছে পশ্চিমা সংস্কৃতি ছিল দূরের স্বপ্ন—এমটিভি ছিল সেই স্বপ্নের প্রথম স্পর্শ। একটি জানালা, যেখান দিয়ে ঢুকেছিল স্বাধীনতার বাতাস।

যে সারায়েভো একদিন বিশ্বমঞ্চ থেকে বিচ্ছিন্ন ছিল, সেখানেই বড় ব্যান্ডের লাইভ পারফরম্যান্স সম্প্রচার—এমটিভিই তা সম্ভব করেছিল।
১৯৯২ সালে সারায়েভো অবরোধ শুরু হলে এমটিভির সামনে আসে ভিন্ন এক দায়িত্ব। তারা রাজনীতি নয়, মানুষের গল্প বলেছিল। গোলার শব্দের ভেতরেও যে জীবন থেমে যায়নি—সেই জীবনের গল্প।

এমটিভি নিউজ দেখিয়েছিল অবরুদ্ধ শহরের প্রতিরোধ, তরুণদের সাহস, সংস্কৃতির লড়াই। অবরোধের মধ্যেই অনুষ্ঠিত সারায়েভো ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল, ভিএইচএস টেপে আসা সিনেমা—সবই জায়গা পেয়েছিল এমটিভির পর্দায়।

ইউটু ও ব্রায়ান ইনের সঙ্গে লুচিয়ানো পাভারোত্তির কণ্ঠে গাওয়া ‘মিস সারায়েভো’ শুধু গান ছিল না—ছিল এক আর্তনাদ।
১৯৯৩ সালে অবরুদ্ধ সারায়েভোর তরুণীরা হাতে লেখা ব্যানারে লিখেছিল, “ ডোন্ট লেট দেম কিল আস! (Don’t let them kill us!)”। এমটিভিই সেই ছবি, সেই গল্প ছড়িয়ে দিয়েছিল বিশ্বজুড়ে।

রাজনীতি যা পারেনি, সঙ্গীত এক মুহূর্তের জন্য হলেও তা পেরেছিল—মানুষকে চোখে চোখ রেখে সত্য দেখাতে।

কেন বন্ধ হলো এমটিভি’র মিউজিক চ্যানেল

এমটিভির মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান প্যারামাউন্ট গ্লোবাল জানিয়েছে, দর্শকসংখ্যা হ্রাস, বিজ্ঞাপন আয়ের ঘাটতি এবং ডিজিটাল কনজাম্পশন প্যাটার্ন বদলে যাওয়াই এই সিদ্ধান্তের মূল কারণ।

বর্তমানে দর্শকরা টেলিভিশনের বদলে ইউটিউব, স্পটিফাই, অ্যাপল মিউজিকের মতো অন-ডিমান্ড প্ল্যাটফর্মে অভ্যস্ত। পাশাপাশি, সংস্থাটি তাদের স্ট্রিমিং সার্ভিস ‘প্যারামাউন্ট প্লাস’-এ বিনিয়োগ বাড়ানোর দিকেই বেশি মনোযোগ দিচ্ছে।

একটি বৃত্তের সমাপ্তি

পরে এমটিভি বদলেছে—রিয়্যালিটি শো, বাণিজ্যিক কনটেন্ট এসেছে। তবু তার উত্তরাধিকার মুছে যায়নি। ২০২৫ সালের শেষে মিউজিক চ্যানেলগুলো বন্ধ হওয়া মানে একটি বৃত্তের সমাপ্তি—যেখানে সঙ্গীত ছিল বৈশ্বিক প্রজন্মের কেন্দ্রীয় ভাষা।

বিশেষ করে বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার মতো দেশের জন্য এই বিদায় আরও ভারী। সেখানে এমটিভি শুধু বিনোদন ছিল না—ছিল প্রমাণ যে যুদ্ধের মাঝেও সংস্কৃতি বেঁচে থাকতে পারে।

আজ অ্যালগরিদম আর অন্তহীন প্লে লিস্টের দুনিয়ায় সেই যৌথ অভিজ্ঞতা প্রায় হারিয়ে গেছে। তাই এমটিভির বিদায় মানে শুধু একটি চ্যানেল বন্ধ হওয়া নয়—এটি সেই অধ্যায়ের শেষ, যেখানে গান শহর, দেশ আর মানুষকে এক সুতোয় বেঁধে ফেলতে পারত—যুদ্ধের মাঝেও।

শ্যাম্পুর ধরন বদলানোর সঠিক সময় শ্যাম্পুর ধরন বদলানোর সঠিক সময়

0

অনেকেই একই ধরনের শ্যাম্পু অনেকদিন ধরে ব্যবহার করেন। আর এই অভ্যাসের কারণে একটা সময় চুলের স্বাভাবিক উজ্জ্বলতা নষ্ট হয় এবং চুল রুক্ষ হয়ে যায়। কিছুদিন পরপর বদলে ফেলুন শ্যাম্পুর ধরন।এতে আপনার চুল হবে ঝলমলে এবং প্রাণবন্ত।

কখন বুঝবেন শ্যাম্পু বদলানো প্রয়োজন সে সম্বন্ধে কিছু পরামর্শ দেওয়া হয়েছে লাইফস্টাইল বিষয়ক ওয়েবসাইট বোল্ডস্কাই-তে। জেনে নিন শ্যাম্পু বদলানোর সঠিক সময় :

যখন দেখবেন আপনার চুল প্রতিনিয়তই পড়ে যাচ্ছে তখনই বুঝতে হবে, নিজের পছন্দের শ্যাম্পুটি বদলে ফেলার সময় চলে এসেছে। কারণ চুল পড়ার একটি কারণ হতে পারে আপনার শ্যাম্পু। তাই এ সময়ে আপনার শ্যাম্পুটি বদলে মাইল্ড শ্যাম্পু বেছে নিন।

যখন আপনি কোনো রোগের কারণে ওষুধ সেবন করবেন, তখন অবশ্যই হালকা ধাঁচের মাইল্ড শ্যাম্পু ব্যবহার করবেন। না হলে চুল পড়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকবে। আর যদি কোনো ওষুধ মাথার তালুতে ব্যবহার করতে হয় তাহলে কোনো কেমিক্যাল সমৃদ্ধ শ্যাম্পু ব্যবহার করবেন না। এই সময়টাতে শ্যাম্পুর ব্র্যান্ড বদলে ফেলুন।

আবহাওয়ার পরিবর্তনের কারণে প্রথমেই ক্ষতিগ্রস্ত হয় আমাদের চুল এবং মাথার তালু। তাই এটা খুবই জরুরি যে আবহাওয়ার পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে আপনি আপনার শ্যাম্পুও বদলে ফেলুন।

শ্যাম্পু পরিবর্তন অনেকটা নির্ভর করছে আপনি কোনো ধরনের পানি দিয়ে চুল পরিষ্কার করছেন। গরম পানি ব্যবহারের সময় এক ধরনের শ্যাম্পু ব্যবহার করবেন আর ঠান্ডা পানি ব্যবহারের সময় এক ধরনের শ্যাম্পু ব্যবহার করবেন। এতে আপনার চুল স্বাস্থ্যোজ্জ্বল থাকবে।

আপনি কতবার শ্যাম্পু ব্যবহার করেছেন তার ওপর নির্ভর করে শ্যাম্পু পরিবর্তন করুন। যদি আপনি প্রতিদিন শ্যাম্পু ব্যবহার করেন তাহলে অবশ্যই মাইল্ড অথবা প্রাকৃতিক শ্যাম্পু ব্যবহার করবেন আর যদি আপনি সপ্তাহে দুদিন শ্যাম্পু ব্যবহার করেন তাহলে কেমিক্যাল সমৃদ্ধ শ্যাম্পু ব্যবহার করতে পারেন।

যখন আপনি কোনো ডায়েট চার্ট ফলো করবেন, তখন পছন্দের শ্যাম্পুটি বদলে ফেলুন। কারণ ডায়েটের কারণে চুলের ময়েশ্চারাইজার কমে যায়। তাই এ সময়ে এমন শ্যাম্পু ব্যবহার করুন, যা চুলের ময়েশ্চারাইজার ধরে রাখে।

আপনার বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে চুলও ধীরে ধীরে নিস্তেজ হয়ে পড়ে। চুল পড়ে যায় এবং সাদা হতে শুরু করে। তাই এ সময়টাতে এমন শ্যাম্পু ব্যবহার করুন, যা চুলের জন্য ক্ষতিকর হবে না।

Verified by MonsterInsights